বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ নির্বাচন


মোহাম্মদ জিয়া উদ্দীন:


Bangladeshs Farcical Vote বা বাংলাদেশে প্রহসনমূলক নির্বাচন (নিউ ইয়র্ক টাইমস সম্পাদকীয়, ১৬ জানুয়ারি) শীর্ষক নিবন্ধে শেখ হাসিনার পুনঃনির্বাচিত হওয়ার কারণ যথার্থই চিহ্নিত করা হয়েছে: ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি, বিস্ময়কর দারিদ্র্য হ্রাস, মানব উন্নয়ন সূচকে অগ্রগতি ইত্যাদি।

কিন্তু সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে তাঁর দল আওয়ামীলীগকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদেরকে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে, যা আসলে সঠিক নয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নির্বাচনপূর্ব সহিংসতায় বাঁধা প্রদান করেছে মূলত শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য, অন্য কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়। বেশির ভাগ নির্বাচনী পর্যবেক্ষেই এরকম বলেছেন।

নির্বাচন উপলক্ষে কোন ধরনের গণ গ্রেপ্তার হয় নি। বরং বাস্তবিক পক্ষে, ২০১৮ সালের নির্বাচন পূর্ববর্তী নির্বাচনসমূহের তুলনায় অনেক বেশি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ছিল।

ভোটাররা সরকারের নিকট নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নতি কামনা করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুটিই নিশ্চিত করেছেন। এ জন্যই সিংহভাগ ভোট পেয়ে তাঁর দল জিতেছে।

ভাষান্তর কর্তৃক অনূদিত।



মোহাম্মদ জিয়া উদ্দীন জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। গত ১৬ জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত Bangladesh’s FarcicalVote শীর্ষক সম্পাদকীয়র প্রতিবাদে তিনি Bangladeshs Peaceful Election শিরোনামে এই চিঠিটি প্রেরণ করেন। ছবি নিউ ইয়র্ক টাইমস থেকে সংগৃহীত।
[blogger]

Author Name

ভাষান্তর

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.