জুলাই 2019




বিবিসি আরবি:
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ধর্মীয় নিপীড়ন থেকে বেঁচে যাওয়া ১৭টি দেশের ২৭ জনের সাথে হোয়াইট হাউস কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন।
তিরিশ মিনিটব্যাপী এই সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন, এ সময় তিনি অংশগ্রহণকারীদেরকে তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে বলেন, এবং বেশ মনযোগের সাথে এসব অভিজ্ঞতা শুনেনও।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইরাকের ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের লোকজন, মায়ানমার, ভিয়েতনাম, উত্তর কোরিয়া, ইরান, তুরস্ক, কিউবা, ইরিত্রিয়া, নাইজেরিয়া ও সুদানের খ্রিষ্টানরা এবং আফগানিস্তান, সুদান, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের মুসলিমরা।
নোবেল পুরস্কার
সাক্ষাৎকার চলাকালে ট্রাম্প সাহেব ইরাকের ইয়াজিদি নারী নোবেল বিজয়ী নাদিয়া মুরাদকে বিস্ময়ের সাথে প্রশ্ন করেন “আপনি যে নোবেল পেয়েছেন, এটা সত্য নয়, তারা এই পুরস্কারটাই কেন আপনাকে দিল?” এ সময় নাদিয়া মুরাদ প্রশ্ন শুনে বেশ অবাক হয়ে যান।
এরপর মুরাদ বর্ণনা দেন, কীভাবে তিনি যৌনদাসী হিসেবে আইএস কর্তৃক বিক্রিত হয়েছিলেন, এবং কীভাবে ধর্ষণ, প্রহার ও শাস্তির মুখোমুখি হয়েছিলেন এই সংগ্রামে বিজয়ী হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। এরপর জার্মানিতে তার চিকিৎসা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি ইয়াজিদি নারীদের উপর যে হৃদয়বিদারক নির্যাতন চলছে, সে বিষয়ে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নেন।
মুরাদ আরো বলেন, “আমরা জীবন ধারণের জন্য কোন নিরাপদ স্থান পাচ্ছিলাম না। তারা আমার মা এবং ছয় ভাইবোনকে হত্যা করেছে, শুধু আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।”
এসময় ট্রাম্প মুরাদের কথার ফাঁকে বলেন: “তোমার মা এবং ভাইবোন এখন কোথায়?
মুরাদ বিব্রত হয়ে জবাব দেন: “তারা মারা গেছেন! তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে! এবং তারা এখন সিনজারের গণকবর সমূহে সমাহিত আছেন। আর আমি এখনো নিরাপদ জীবনের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছি। দয়া করে আপনি কিছু একটা করেন।”
ট্রাম্প তখন উত্তর দেন, আপনি যে অঞ্চল সম্পর্কে কথা বলছেন, সে সম্পর্কে আমি ভালোভাবেই জানি। হ্যাঁ, সেখানে পৌঁছা কঠিনই বটে।”

বাংলাদেশ কোথায়:

একই ভাবে এক রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের, যারা কিনা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দ্বারা নির্যাতিত হয়েছিলেন, তাদের বিষয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছিলেন।
তিনি বলেন: “আমি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া এক রোহিঙ্গা শরণার্থী। আর বেশির ভাগ শরণার্থীই চায় যথাশিগগিরই নিজ দেশে ফিরে যেতে। আমাদেরকে সাহায্য করার জন্য আপনার পদক্ষেপ কী?”
তখন ট্রাম্প সাহেব তাকে জিজ্ঞাসা করেন: “বাংলাদেশ আসলে কোথায়?”
এসময় তার এক সহযোগি তাকে জানান যে, বাংলাদেশ বার্মার প্রতিবেশী দেশ।

অনেক কঠিন সময় ছিল। তোমাকে ধন্যবাদ।

সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইস্টার পেট্রোস, যাকে বোকো হারাম ২০১৪ সালে অপহরণ করেছিল।
তিনি ট্রাম্পকে বলেন: মাননীয় প্রেসিডেন্ট, আপনাকে ধন্যবাদ...।
ট্রাম্প জবাব দেন: তোমাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।
পেট্রোস: ...আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্যভ আমি নাইজেরিয়ার ইস্টার। বোকো হারামের নিকট থেকে আমি পালিয়েছিলাম।
ট্রাম্প: ঐ সময়টা অনেক কঠিন ছিল, তাই না?
পেট্রোস: হ্যাঁ
ট্রাম্প: অনেক কঠিন সময় ছিল। তোমাকে ধন্যবাদ।
________________________________

প্রিয়া সাহা নাম্নী জনৈক হিন্দু নারী কর্তৃক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিকট বাংলাদেশ নিয়ে বিচার দেওয়ার একটি ভিডিও সম্প্রতি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রকৃতপক্ষে ঐদিনের অনুষ্ঠানে আরো অনেকেই অভিযোগ জানাচ্ছিলেনন ট্রাম্পের নিকট, তাদের মধ্যে ছিলেন এক রোহিঙ্গাও। তার কথা শুনে ট্রাম্প জিজ্ঞেস করেন, বাংলাদেশটা আসলে কোথায়? এ অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিবিসি আরবির প্রতিবেদনের বাংলা অনুবাদ, ভাষান্তরের সৌজন্যে...


চার্লস এম. ব্লো, নিউ ইয়র্ক টাইমস:
এখনো যারা বিশ্বাস করতে চাচ্ছে না যে ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন আগ্রাসী বর্ণবাদী, তাদেরকে বিশ্বাস করানোর জন্য তিনি তার প্রচেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। অন্তত পক্ষে আমি তার মতিগতি সম্পর্কে এরকম ধারণাই পোষণ করি। আসলে এটা খুবই স্বাভাবিক যে তার সবচেয়ে সত্যিকারের স্বভাব বারবার প্রকাশ পাচ্ছে, এবং তিনি তার সমর্থকদের বর্ণবাদের প্রতি আকর্ষণ করতে নিজের বর্ণবাদকে ব্যবহার করছেন
রোববার সকালে, যেদিন ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করে যে তারা কাগজ-পত্রবিহীন অভিবাসীদেরকে ধরপাকড় করার জন্য অভিযান চালাবে, একই দিন আবার ট্রাম্প সাহেব তার করা সবচেয়ে জঘন্য বর্ণবাদী ধারাবাহিক তিনটি টুইটের মাধ্যমে নয়া চার কংগ্রেসওম্যান  এবং হাউজ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির মধ্যকার দ্বন্দ্বে জোর ভূমিকা পালন করেন টুইট তিনটির ভাষ্য নিম্নরূপ
তোপ্রগতিশীলডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যানদের দেখে বেশ মজা লাগছে, যারা আসলে এমনসব দেশ থেকে এসেছেন, যেগুলোর সরকার পুরোপুরি বিপর্যয়কর, সবচেয়ে জঘন্য, সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ দুনিয়ার যে কোন জায়গায়ই অনুপযুক্ত (আদৌ যদি তাদের কোন কার্যকর সরকার থেকে থাকে আরকি), এখন জোরে সোরে ...
... এবং জঘন্যভাবে দুনিয়ার সবচেয়ে মহান এবং সবচেয়ে ক্ষমতাশালী জাতি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে শেখাচ্ছে, কীভাবে আমাদের সরকার চলা উচিত তারা কেন ফিরে যাচ্ছে না, এবং পুরোপুরি ভেঙে পড়া এবং অপরাধ কবলিত যে সকল জায়গা থেকে এসেছে সেসব জায়গা সংস্কারে সহযোগিতা করছে না এরপর ফিরে আসেন এবং আমাদেরকে দেখান কীভাবে ...
...  এই কাজ করতে হয় সেসকল জায়গার খুব বেশি দরকার তোমাদের সাহায্যের, তোমরা এতো দ্রুত সেগুলোকে পরিত্যাগ করতে পারো না আমি নিশ্চিত ন্যান্সি পেলোসি খুবই খুশি মনে দ্রুত বিনে পয়সায় ভ্রমণের ব্যবস্থা করে দিবেন
এসকল প্রগতিশীল কংগ্রেসওম্যান হলেন নিউ ইয়র্কের আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ, মিনেসটার ইলহান ওমর, মিশিগানের রাশিদা এবং ম্যাসাচুসেটসের আয়েনা এস. প্রেসলি
প্রথমত বাস্তবতা হলো ওকাসিও, রাশিদা এবং প্রেসলিমূলত যে দেশ থেকে এসেছেনসেটি তারা তিনজনই আমেরিকাতে জন্মগ্রহণ করেছেন ইলহান ওমর ছিলেন সোমালিয়ান শরণার্থী
কিন্তু, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: তারা শ্বেতাঙ্গ নন, এবং তারা নারী তারা শ্বেত জাতীয়তাবাদীদের সমাজ কাঠামোতেঅন্যদেরঅন্তর্ভুক্ত তারা আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকান বংশোদ্ভুত
এ ধরনের চিন্তার কেন্দ্রীয় বিন্যাসটা এরকম: এটি একটি শ্বেত-রাষ্ট্র, শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এবং নির্মিত, কাজেই শ্বেত-রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকাটাই এ রাষ্ট্রের জন্য নির্ধারিত যে কেউ সত্যিকারের মার্কিন হতে হলে তাকে অবশ্যই এই ভাষ্যটি গ্রহণ করতে এবং স্বীকার করতে হবে, এই ঐতিহ্যের প্রতি মাথা নোয়াতে হবে এবং এসকল রীতি-নীতির প্রতি অনুগত হতে হবে
এই ভাষ্য অনুসারে যে সকল দেশ থেকে কালো ও বাদামী লোকজন আসে, সেগুলোকে ত্রুটিপূর্ণ দেশ হিসেবে দেখা হয়পুরোপুরি বিপর্যয়কর, সবচেয়ে খারাপ এবং সবচেয়ে জঘন্য এবং দুনিয়ার যে কোন জায়গায় অনুপযুক্ত কারণ, এর মূল ভিত্তিতে, কালো এবং বাদামী মানুষদেরকে ঊনমানুষ হিসেবে দেখা হয়
এটি শ্বেত আদর্শবাদের একটি ধরন, যা কিনা বহুসংস্কৃতিবাদের বিরোধিতা করে, কিন্তু বিরোধিতা করাটা যে বর্ণবাদের অন্তর্ভুক্ত, সেটা মেনে নিতেও রাজি নয়
এবং তাই, যখন কোন কালো এবং বাদামী মহিলা বাইরের দেশ থেকে বাইরের নাম নিয়ে এই দেশে এসে শ্বেত-পিতৃপুরুষদের চ্যালেঞ্জ করার সাহস দেখায়, তখন এই আদর্শবাদ স্বভাবতই ক্ষুব্ধ হয় কেন তারা জানে না যে এই সমাজে তাদের স্থান আসলে কোথায়? তারা কেন সমাজের ভদ্রলোকদের (শ্বেতাঙ্গদের) নিকট নতজানু হয় না? তারা কেন শ্বেতাঙ্গদের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার এবং সম্মান করে না?
এখান থেকে শুরু করুন: কারণ পুরো শ্বেত-শ্রেষ্ঠত্ববাদী আদর্শ এবং চেতনাই হলো একেবারে মিথ্যা আজকের এই আমেরিকা বেশির ভাগ অঞ্চলে তাদের সীমানা বৃদ্ধি করেছে স্থানীয় আমেরিকানদের রক্ত ঝরিয়ে, এবং তাদের সাথে চুক্তি ভঙ্গ করে এই রাষ্ট্রের বেশির ভাগ সম্পদ সঞ্চিত হয়েছে ২৫০ বছরের কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতিদানহীন শ্রমের মাধ্যমে
এবং এই দেশের পুরো ইতিহাসজুড়ে, কিছু পরিমাণে কৃষ্ণাঙ্গ বিদ্বেষ জড়িয়ে আছে এখন, এখানে তীব্র মুসলিম-বিদ্বেষী এবং অভিবাসী-বিদ্বেষী জেনোফোবিয়ার (বিদেশি-ভীতি) অস্তিত্ব রয়েছে
আমেরিকা জন্মসূত্রে অসুস্থ অবস্থাতেই জন্মগ্রহণ করেছে, এবং তখন থেকেই এই রাষ্ট্রটির কার্যকর চিকিৎসা দরকার, যদিও সে প্রায়ই প্রয়োজনীয় চিকিৎসাকে প্রত্যাখ্যান করে নিজের অবস্থানে ফিরে গেছে। আমেরিকার নিজের অর্জিত পাপকে চ্যালেঞ্জ করা কোন অশুভ আক্রমণ নয়। এটা বরং দেশপ্রেমরই পরিচয় বহন করে। যেমনটা একবার জেমস বাল্ডউইন বলেছিলেন, “আমি এই পৃথিবীর অন্য যে কোন দেশের তুলনায় আমেরিকাকে বেশি ভালোবাসি, এবং, আসলে ঠিক এই কারণেই, আমি সবসময়ই এর সমালোচনা করার অধিকারের উপর জোর দিই।
এবং, এই কাজে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমেরিকার ভবিষ্যৎ চেহারার প্রতিনিধিত্বকারী এই চার নারীর চেয়ে শ্রেয়তর আর কে হতে পারেন।
কিন্তু, ট্রাম্প এবং তার অনেক সমর্থক ও তার হয়ে তর্ক করা লোকজন তাদের বর্ণবাদী আদর্শকে উগরে দিচ্ছেন এবং তাদের লেখা তারা আবার যখন পড়ছেন তখন নিজেরাই নিজেদেরকে বলছেন যে, এটা পুরোপুরিই গ্রহণযোগ্য। অনেকটা কুকুরের নিজের বমি নিজে খাওয়ার মতো বিষয় আরকি।
এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ট্রাম্প পেলোসি ও চার কংগ্রেসওম্যানের দ্বন্দ্বের আগুনে ঘি ঢাললেন। শুক্রবার মনে হচ্ছিল তিনি পেলোসিকে বাঁচানোর জন্য কথা বলছেন, সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন: “তিনি (পেলোসি) বর্ণবাদী নন। ঠিক আছে? তিনি বর্ণবাদী নন। তারা যে তাকে বর্ণবাদী বলছে, এটা অপমানসূচক।”
কিন্তু, আসলে তিনি পেলোসির পাশে দাঁড়াচ্ছিলেন না, বরং তার পিছনে লুকোচ্ছিলেন। তিনি কায়দা করে যেন বলছিলেন, তার মতো যে সকল লোককে ভুল করে বর্ণবাদী মনে করা হয়, তারা আসলে বর্ণবাদী নন। তিনি পেলোসিকে নিজের সমান্তরালে দাঁড় করালেন, দুজনেই একই ধরনের ভিক্টিম (বর্ণবাদী নন, অথচ মানুষ ভুলভাল তাই মনে করে!)
কিন্তু, এখানে সমান্তরালের কোন বিষয় নেই। ট্রাম্প বর্ণবাদী কি না, তা নিয়ে আর কোন আলোচনা বা বিতর্কের দরকার নাই। তিনি অবশ্যই বর্ণবাদী। তার মনে কি আছে সেটা না জানা সম্পর্কে তিনি আর বাগাড়ম্বর কিংবা ভেলকি দেখানোর দরকার নাই। কারণ, ভিতর যা আছে, সেগুলো বাইরে বেরিয়ে আসতে আমরা দেখি।
শ্বেতাঙ্গ জনগণ শ্বেতত্ব ট্রাম্পের রাষ্প্রপতিত্বের একেবারে কেন্দ্রে রয়েছে। তার প্রাথমিক মাথাব্যথা হলো এটিকে কীভাবে রক্ষা করা যায়, প্রচারিত করা যায় সেটি। আমেরিকার রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাকে তিনি শ্বেত শ্রেষ্ঠত্ববাদ পুনরুদ্ধারের জন্য নিয়ে আসছেন। এবং, আত্মস্বীকৃত রিপাবলিকানরা অবশ্যই এ কারণে তাকে ভালো বাসেন।
আমরা এই জাতির ইতিহাসের খুবই অন্ধকার একটি অধ্যায় প্রকাশ পেতে দেখছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, রাষ্ট্রপতি তার শ্বেতভবনে নগ্ন বর্ণবাদকে ফিরিয়ে আনছেন। এবং আমরা অন্যান্য  নাগরিকদেরকে দেখতে পাচ্ছি, সম্ভবত তাদের এক-তৃতীয়াংশকে, তারা ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন অব্যহত রেখে আমাদের প্রতি তাদের বিদ্বেষ প্রকাশ করছেন।
________________________________

নিবন্ধটি নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত। নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত মূল লেখাটির শিরোনাম “Trumps Tweets Prove That He Is a Raging Racist”। ভাষান্তর কর্তৃক বাংলায় অনূদিত এবং সংযুক্ত ছবিটি নিউ ইয়র্ক টাইমস থেকে সংগৃহীত।

Author Name

ভাষান্তর

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.