Articles by "ইংরেজি"

ইংরেজি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সৌদি-কাতার সংকট নিরসন

উসাইদ সিদ্দিকি, আল জাজিরা ইংরেজি:

সৌদি আরব কাতারের তাদের আকাশসীমা, স্থল ও জল সীমান্ত পুনরায় উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে, কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত সোমবার এক ঘোষণায় এমনটি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সৌদি-কাতার সংকট নিরসনে কুয়েত মধ্যস্থতা করছে।

জিসিসি শীর্ষ সম্মেশনের পূর্ব মুহূর্তে এ ঘোষণাটি সৌদি ও তাদের মিত্র জোট কর্তৃক কাতারের উপর আরোপিত বয়কটের রাজনৈতিক সমাধানের পথ সুগম করতে পারে। 

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিশর ২০১৭ সালের জুনে কাতারের উপর সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন ও ইরানের সাথে ঘনিষ্টতার অভিযোগে কূটনৈতিক, বাণিজ্য ও ভ্রমণ বয়কট আরোপ করেছিল।

কাতার বারবার অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং সম্পর্ক ছিন্ন করার কোন যৌক্তিক কারণ নেই বলে দাবি করে এসেছে। 

ইতোমধ্যে আবু সামরা ক্রসিংয়ে কাতার-সৌদি সীমান্ত খুলেছে বলে আল জাজিরার প্রতিনিধি আজ (বাংলাদেশ সময়) রাত তিনটার দিকে  নিশ্চিত করেছেন। 

(আর জাজিরা ইংরেজিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অনুবাদ।)

 

boycott israel by palestine

হায়দার ঈদ, আল জাজিরা ইংরেজি:

গত নভেম্বরে ফিলিস্তিন স্বাধীনতা সংস্থা (পিএলও)’র নির্বাহী কমিটির মহাসচিব ও মুখ্য ফিলিস্তিনি আলোচক সাইব এরেকাত মৃত্যুবরণ করেছেন। অনেক ফিলিস্তিনি তাঁর মৃত্যুকে ওসলো-যুগের সমাপ্তির রূপক হিসেবে দেখছেন।

এরেকাত এবং তাঁর প্রজন্মের আরো অনেক ফিলিস্তিনি রাজনীতিক কথিত দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁরা মনে করতেন ইসরায়েল এবং তাদের মার্কিন পৃষ্ঠপোষকদের সাথে চুক্তি করে ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক ভূমিতে ফিলিস্তিনিরা একদিন স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবেন।

দশকের পর দশক ধরে অব্যহত ঔপনিবেশিকতা ও সর্বানাশা চুক্তির সাহায্যে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের এই বিভ্রম বা মোহকে টিকিয়ে রাখা হয়েছিল।

১৯৭৮ সালে ক্যাম্প ডেভিডে ইসরায়েলের সাথে মিসর কর্তৃক সাক্ষরিত চুক্তি, ফিলিস্তিনিদের সাক্ষরিত ১৯৯৩ সালের ওসলো চুক্তি এবং জর্দান কর্তৃক ওয়াদি আরাবাতে সাক্ষরিত ১৯৯৪ সালের চুক্তিকে ফিলিস্তিনিদের নিজেদের সমস্যার সমাধান ও মধ্যপ্রাচ্যে “শান্তি” প্রতিষ্ঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হতো। 

কিন্তু বাস্তবতা হলো, এসকল চুক্তিতে একটি স্বতন্ত্র জনগোষ্ঠী হিসেবে ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্বকেই উপেক্ষা করা হয়েছে, উপেক্ষা করা হয়েছে শরণার্থী ফিলিস্তিনিদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের সমঅধিকারের মতো মৌলিক অধিকারসমূহকে।

এসকল মৌলিক অধিকারের উপর জোর দেওয়ার  বদলে, এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মডেল অনুসরণ করে এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি বাস্তবায়ন এবং গণতান্ত্রিক অবর্ণবাদী অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বদলে ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক নেতৃত্ব উল্টো ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীকে কেবলমাত্র পশ্চিম তীর, গাজা ভূখণ্ড ও পূর্ব জেরুজালেমে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছেন।

এর ফলে টুকরো টুকরো ভূখণ্ড নিয়ে ফিলিস্তিনি বান্টুস্তান তৈরি হয়েছে,যেখানে ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলি সামরিক দখলদারদের ক্রমাগত সন্ত্রাসের মধ্যে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন, এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সত্যিকার অর্থে তাদের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারছে না।

ওসলো চুক্তি অনুসারে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের মোহের উপর এখনো জোর দেওয়া হচ্ছে, এমনকি ইসরায়েল কর্তৃক জাতিরাষ্ট্র আইন পাশ করার পরও; যে আইনে ইসরায়েলেরে ভূমিতে কেবলমাত্র অনন্য ইহুদি জনগোষ্ঠীর (ইসরায়েল রাষ্ট্রের সংজ্ঞানুসারে) জাতিগত অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ফিলিস্তিনিরা এ অধিকার ভোগ করতে পারবে না। এখনো দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে, অথচ এদিকে আরবরাষ্ট্রগুলো “শান্তির জন্য ভূমি সূত্রে ইসরায়েলের তরফ থেকে কোন ধরনের ছাড় ছাড়াই ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের দিকে এগুচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র আরেকটি শান্তি চুক্তি এগিয়ে নিচ্ছে, যেটিতে ফিলিস্তিনিদের জন্য চূড়ান্ত অবমাননা ছাড়া আর কিছুই থাকছে না।

ইসরায়েল ঐতিহাসিক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে যে চরম বর্ণবাদী শাসন ব্যবস্থা কার্যকরভাবে চাপিয়ে দিয়েছে, ওসলো চুক্তি এবং এর অনুসিদ্ধান্তসমূহে সেই চরম বাস্তবতাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। এ যেন ঘরের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা বিশাল হাতিটিকে না দেখার ভান করে বসে থাকার নামান্তর। ফিলিস্তিনিদের আন্দোলন-সংগ্রামেযে সুমুদ  বা অবিচলতা লক্ষণীয়, ওসলোওয়ালার সে বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে না। ফিলিস্তিনিদের নগিরক ও রাজনৈতিক প্রতিরোধের দীর্ঘ ইতহাসের প্রতিও তারা ভ্রুক্ষেপ করছে না।

বছরের পর বছর ধরে বহু ফিলিস্তিনি ওসলো চুক্তি আসলে কি জন্যে তা বুঝতে পেরেছে এবং ফিলিস্তিনি অধিকার নিশ্চিত করার জন্য তারা নিজেদের জন্য বিকল্প পন্থা বাছাই করে ফেলেছে।

২য় ইন্তিফাদার মাত্র এক বছর পর ২০০১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে এনজিও ফোরাম অফ দি ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স অ্যাগেইনস্ট র‌্যাসিজম (ডব্লুসিএআর) অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ইহুদিবাদী প্রকল্পের স্পষ্ট প্রকৃত রূপ তুলে ধরা হয় এবং ফিলিস্তিনি ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতার জন্য আরো বাস্তবধর্মী কিন্তু প্রগতিশীল পথনির্দেশ করা হয়।

২০০৫ সালে বয়কট, ডাইভেস্টমেন্ট অ্যান্ড স্যাংকশনস (বিডিএস) আন্দোলন শুরু হয় এবং দুই বছর পর পরবর্তী কৌশল নির্ধারণের জন্য বিডিএসের জাতীয় কমিটি গঠিত হয়। বিডিএস একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি কিছু উদাহরণ তুলে ধরে, যেগুলো ফিলিস্তিনি মানসিকতাকে ওসলো বিমুখ করার প্রচেষ্টার প্রতিনিধিত্ব করে। এবং এই প্রক্রিয়ায় গাজা কেন্দ্রী ভূমিকা পালন করে।

২০০৬ সালের আইন সভা নির্বাচন পরবর্তী গাজার বেশির ভাগ ঘটনা ওসলো চুক্তি ও তার ধারাবাহিকতাসমূহকে প্রত্যাখ্যানের ইঙিত বহন করে। আমরা যদি এ বিষয়টি মনে রাখি যে গাজার ৭৫-৮০ শতাংশ অধিবাসীই শরণার্থী, তাহলে নির্বাচনের ফলাফলের উপনিবেশবিরোধী ও ওসলোবিরোধী মনোভাব আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

“দুই কারাগার সমাধান” কে তালাক দিয়ে বিকল্প প্যারাডাইম স্থাপনের আহ্বান পরবর্তী বছরগুলোতে প্রবল হয়ে ওঠে। এই প্যারাডাইমে গাজার জনগণের আত্মত্যাগকে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে গণ্য করা হয়। ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের ভিত্তিতে যে প্যারাডাইম ২০০৯, ২০১২ ও ২০১৪ সালে গাজার উপর আক্রমণে এবং দি গ্রেট মার্চ অফ রিটার্নে ফিলিস্তিনিদেরকে অনুপ্রাণিত করে।

বেশির ভাগ ফিলিস্তিনি আন্দোলনকারীদের জন্য ফিলিস্তিনকে অসলোমুক্ত করাটা ন্যায্যতার সাথে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক শর্তে পরিণত হয়েছে। এ জন্য ফিলিস্তিনি সংগ্রামকে নতুন করে সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিক শক্তি ও বর্ণবাদ বিরোধী সংগ্রাম হিসেবে এবং ফিলিস্তিনি স্বার্থকে ফিলিস্তিনের মূল তিনটি অংশ তথা গাজা ও পশ্চিম তীর, শরণার্থী এবং ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের একত্রিতকরণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

 

লেখক আল-আকসা বিশ্ববিদ্যালয় গাজার সহযোগী অধ্যাপক। লেখাটি আল জাজিরা ইংরেজির ওয়েবসাইটে “The two-state solution: The opium of the Palestinian people” শিরোনামে প্রকাশিত। ছবি আল জাজিরার সংশ্লিষ্ট পাতা থেকে সংগৃহীত।


  


রিচার্ড লাসকম্ব, দি গার্ডিয়ান:

টেড ক্রুজ নির্বাচনে “মহাবিপর্যয়ের” ভয়ে ভীত। তাঁর সহকর্মী শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান সিনেটর কথা বলছেন জো বাইডেনের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে। এমনকি প্রচণ্ড বিশ্বস্ত সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠদের নেতা মিচ ম্যাককনেলও হোয়াইট হাউসের ধারে কাছে যেতে পারেননি, ট্রাম্পের করোনা প্রটোকলের কারণে।

তর্কের খাতিরে ট্রাম্পের মিত্রদের দাবি অনুসারে ধরে নেওয়া যায়, তারা হয়তো ব্যক্তিগতভাবে সাধারণ নির্বাচনের কিছু দিন আগে থেকে ট্রাম্পের সমর্থনে সভা-সমাবেশ করবেন, যখন জনমত জরিপে দেখাবে যে তিনি হারতে বসেছেন।

কিন্তু সমষ্টিগতভাবে বেশ কয়েক জন রিপাবলিকান নেতা যেভাবে ট্রাম্প, তার প্রশাসন ও নীতিমালা থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন, তাতে রিপাবলিকান পার্টির শীর্ষ পর্যায়ের উদ্বেগেরেই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ৩ নভেম্বর হয়তো জো বাইডেন ও ডেমক্রেটদের একটি দূর্দান্ত জয় হতে পারে।

গত শুক্রবার সিএনবিসির স্কুয়াক বক্স অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে টেক্সাসের জুনিয়র সিনেটর এবং ট্রাম্পের সাবেক মূখ্য সমালোচক ক্রুজ বলেন, “আমার মনে হয়, এই নির্বাচন হবে আমাদের জন্য ভয়ঙ্কর। আমার ধারণা আমরা হোয়াইট হাউস ও হাউস অফ কংগ্রে, ‍দুটোই হারাতে পারি, ফলে এ নির্বাচন হতে পারে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারীর চেয়েও মহাবিপর্যয়কর।

তিনি আরো যোগ করেন, “আমি খুবই চিন্তিত, কারণ পরিস্থিতি মারাত্মক অস্থিতিশীল।” যদিও তিনি এও বলেন যে, তার মতে “বিশাল ব্যবধানে” ট্রাম্পের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনাও আছে।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ট সহযোগীদের একজন টিলিস, যিনি দুই সপ্তাহ আগে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে কোভিড-১৯’র সুপার স্প্রেডার ছিলেন বলে মনে করা হয়, নর্থ ক্যারোলিনার সিনেটর হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হতে তিনি বেশ শক্ত লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যাল কানিংহামের সাথে বিতর্ক চলাকালে ট্রাম্পের পরাজয়ের সম্ভাবনার কথা তুলেছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, “বাইডেনের রাষ্ট্রপতিত্বের সময় সবচেয়ে ভালো ভারসম্যপূর্ণ অবস্থা হবে যদি সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে।” অসাবধানতানশত তিনি বলেই ফেলেছিলেন যে তিনি মনে করেন ডেমক্রেটদের বিজয় সময়ের ব্যাপার মাত্র।

অন্যান্য স্থানেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে খোদ রিপাবলিকান শিবিরের অসন্তোষ ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষত যে সকল প্রার্থী নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় মারাত্মক রকমের ব্যস্ত, তাদের মধ্যে এ মনোভাব আরো প্রকট।

পূর্বসূরী জনম্যাককেইনের উপর ট্রাম্পের ক্রমাগত আক্রমণে ক্ষুব্ধ হয়ে অ্যারিজোনার সিনেটর মার্থা ম্যাকসেলি ট্রাম্পের উপর পাল্টা আক্রমণ করেছেন, যিনি বিশাল ব্যবধানে নাসার সাবেক নভোচারী মার্ক কেলিকে হারিয়ে সিনেটর হয়েছিলেন। গত সপ্তাহে এক বিতর্কে মার্থা বলেন, “সত্যি বলতে কী, তিনি (ট্রাম্প) যখন এটা করেন, তখন আমার মাথায় রক্ত উঠে যায়।”

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে “বিভ্রান্তি সৃষ্টি” ও “অসাবধানতার অভিযোগে টেক্সাসের সিনেটর জন কর্নিন এ সপ্তাহে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন।

এ দিকে অন্তত দুই মাস ধরে ম্যাক কনেল কেন হোয়াইট হাউসে যাচ্ছেন না, সে বিষয়টিকে অবশ্য ভিন্ন ভাবে দেখা যেতে পারে। কারণ তার বয়স এখন ৭৮, আর হোয়াইট হাউস করোনা-কালে এতোটাউ ঝুঁকিপূর্ণ যে খোদ রাষ্ট্রপতিও ইতোমধ্যে করোনা আক্রান্ত।

তিনি বলেছিলেন, “আমার ধারণা, পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাদের পদ্ধতি আমার চেয়ে ভিন্ন। আমি সিনেটে যে পরামর্শ দিয়েছিলাম, তা হলো, আমরা যেন মাস্ক পরি এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি।”

কিন্তু গত চার বছর ধরে ট্রাম্পের মিত্রদের ভিন্ন মত শোনা হয়নি বললেই চলে। মহামারী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ট্রাম্পের অবস্থানের বিরুদ্ধে দেশ জুড়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া, সেটি রিপাবলিকান শিবিরেও প্রভাব ফেলেছে, এমন ঝুঁকিই প্রতীয়মান হচ্ছে ম্যাক কলিনের কথায়।

 

–––––––––––––––––––––––––––––––––

লেখাটি দি গার্ডিয়ান পত্রিকায় Republicans express fears Donald Trump will lose presidential election শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে। ছবি সংগৃহীত।

 


দুই কালক্রম নির্ণয়

ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক দুর্বল হচ্ছে, আর চীনের সাথে বন্ধন শক্তিশালী হচ্ছে

তবে সরকার এশিয়ার উভয় পরাশক্তির সাথে একই সাথেই সুসম্পর্ক রাখতে আগ্রহী



দি ইকনমিস্ট:

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর সিলেট ভারত সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার (আনুমানিক) দূরে অবস্থিত। কিন্তু এই শহরটিতে একটি বিমানবন্দর টার্মিনাল নির্মাণের জন্য গত এপ্রিলে সরকার দরপত্র আহ্বান করলে ভারতীয় দরদাতাদের হারিয়ে সেটি জিতে নিয়েছে বেইজিং আরবান কনস্ট্রাকশন গ্রুপ নামের এক চায়নিজ ফার্ম। জুনে বাংলাদেশের ৯৭% রফতানি পণ্যকে করমুক্ত ঘোষণা করেছে চীন। এই মাসে বাংলাদেশ ভারতের সাথে তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে দশকব্যাপী নৈরাশ্যকে পাশ কাটিয়ে তার বদলে পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের জন্য চীনকে অনুরোধ করেছে।

 

বাংলাদেশ ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার কারণ, ১৯৭১ সালে ভারতের সেনাবাহিনী তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে প্রবেশ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছে। ফলে সব সময়ই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে খুবই ঘনিষ্ট সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে। কিন্তু বহু বাংলাদেশি মনে করে, ভারত বাংলাদেশের দাদাসুলভ ও অসৌজন্যমূলক মিত্র। এক বাংলাদেশি সাংবাদিক বলেন, তারা আসলে বিশ্বাস করে না যে আমরা স্বাধীন। তারা সব বিষয়ে নাক গলায়। তারা মনে করে আমাদের প্রশাসন তাদের জন্য কাজ করে। ভারতের বর্তমান সরকারের নানাবিধ মুসলিম বিরোধী নীতিও ভারতের প্রতি বাংলাদেশের আস্থাহীনতা বৃদ্ধি করছে, কারণ বাংলাদেশের প্রায় ৯০% জনগণ মুসলিম।

 

চীন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে সাতটি মৈত্রী সেতু নির্মাণ করেছে। ২০১৮ সালে ভারতকে পিছনে ফেলে চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী দেশে পরিণত হয়েছে। চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারও বটে। ২০১৬ সালে জি জিনপিং এক রাষ্ট্রীয় সফরে ২৭টি অবকাঠামোগত প্রকল্পে আরো ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করার ওয়াদা করেছেন। বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক শীর্ষস্থানীয় এক অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসাইন বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পাওয়ার ও টেলিকম খাতে চায়নিজ বাণিজ্য পরিচালিত হয়।

 

অন্য পশ্চিমা দাতাগোষ্ঠীর তুলনায় চীনের দ্বিধার জায়গা অনেক কম, যেমনটা বলছিলেন ইলিনয়স বিশ্ববিদ্যালয়ের আলি রিয়াজ। ২০১৩ সালে বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু করলে বাংলাদেশ পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের ১.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রত্যাখ্যান করে। তখনই চীন সে প্রকল্পে পা রাখে।

 

জনাব রিয়াজ বলেন, গত কয়েক বছরে চীনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশিদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গণমাধ্যমের চীনমুখিতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের এক ফিন্যান্সিয়াল পত্রিকার প্রতিবেদক জানান, তার পত্রিকার ৭০% সাংবাদিকই চীনে গিয়েছেন। তিনি নিজেও ২০১৮ সালে চীনে দশ মাসের একটি ফেলোশিপে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ পৌছার প্রায় সাথে সাথেই মহামারী প্রতিরোধে সহায়তা করার জন্য চীনা চিকিৎসক দল বাংলাদেশে প্রেরিত হয়েছিলেন।

 

এসব সহযোগিতা কাজেও আসছে। চায়নিজ সরকার ভারতীয় সরকারের তুলনায় অনেক বেশি মুসলিমদের নির্যাতন করছে। বাংলাদেশি পণ্যের ডিউটি-ফ্রি প্রবেশাধিকারও যথেষ্ট ধীর গতিতেই প্রদান করেছে চীন। এতদসত্ত্বেও বাংলাদেশের মিডিয়ায় ভারতের তুলনায় চীন কম সমালোচনার শিকার হচ্ছে।

 

বাংলাদেশের সরকার একটু বেশিই সতর্ক। চীনের নিকট দায়গ্রস্ত হয়ে পড়ার ব্যাপারে সরকার চিন্তিত, আবার ভারতকে তিরষ্কার করার ব্যাপারেও সতর্ক। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত মার্চে ঢাকা সফর করার কথা ছিল, করোনা ভাইরাসের দরুণ সে সফর বাতিল হয়েছে। তবে এরকম বড় ও শক্তিশালী প্রতিবেশী থাকাটা বেশ যন্ত্রণাদায়ক বটে। জনাব রিয়াজ বলেন, ভারতের নীতিনির্ধারক মহল ও গণমাধ্যম সব সময় বাংলাদেশকে মনে করিয়ে দিতে থাকে যে বাংলাদেশ ছোট ও অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ দেশ। চীন এমনটা করে না।” ■

 

––––––––––––––––––––––––––––––––

নিবন্ধটি দি ইকনমিস্ট পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণের এশিয়া অংশে "Two-timing" শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে। দি ইকনমিস্টের অনলাইন সংস্করণে নিবন্ধটি As Bangladeshs relations with India weaken, ties with China strengthenশিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে। ছবি দি ইকনমিস্টের সংশ্লিষ্ট পাতা থেকে সংগৃহীত।

 

 

নেপালে ভারত বিরোধী জনমত
বিরাট অনুপম, দি ডিপ্লমেট:
ভারতীয় অধ্যাপক সুখ দেও মনি যথার্থই ভারত নেপালকেদুনিয়ার সবচেয়ে ঘনিষ্ট প্রতিবেশীবলে আখ্যায়িত করেছেন বহু কূটনৈতিক বেসামরিক কার্যক্রম কথাটির যথার্থতা প্রমাণ করে উদাহরণস্বরূপ, নেপালের সেনা প্রধান ভারতীয় সেনাবাহিনীর অনারারি জেনারেল, আবার ভারতীয় সেনাপ্রধান নেপাল সেনাবাহিনীর অনারারি জেনারেলের মর্যাদা পেয়ে থাকেন নেপালের হাজার হাজার গোর্খা সিপাহী ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করছে
নাগরিকদের পর্যায়ে যদি চিন্তা করেন, দুই দেশের নাগরিকগণ সীমান্তের যে কোন পাশে বসবাস করতে পারেন, কাজ করতে পারেন, কোন ধরনের বাধা ছাড়াই এমন অবিশ্বাস্য সম্পর্ক তিলে তিলে গড়ে উঠেছে আজকের স্বাধীন-সার্বভৌম ভারত নেপাল রাষ্ট্রের জন্মেরও আগে থেকে দুই দেশের একই ঐতিহাসিক শিকড় সাংস্কৃতিক সামঞ্জস্যতাই মূলত এর কারণ
এত ঘনিষ্ট সম্পর্ক সত্ত্বেও নেপালের জনমনে এখন ভারত বিরোধীতা তৈরি হচ্ছে এর পিছনের পাঁচটি কারণ
. অবরোধ
চারদিকে স্থলবেষ্টিত নেপালকে প্রায়ই বলা হয় ভারতবেষ্টিত দেশ কারণ পূর্ব, পশ্চিম, দক্ষিণ তিন দিকেই নেপালের সীমান্ত ভারতের সাথে এই ভৌগলিক সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ভারত তিনবার নেপালের বিরোধ্যে বাণিজ্য অবরোধ আরোপ করেছিলে ১৯৭৫, ১৯৮৯ ২০১৫ সালে এই তিন ব্লক নেপালে ভারতবিরোধী জনমত গঠনে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে ২০১৫ সালে ভয়ঙ্কর শক্তিশালী ভূমিকম্পে নেপাল লণ্ডভণ্ড হওয়ার মাত্র একমাস পর ভারত দেশটির উপর অবরোধ আরোপ করলে নেপাল উত্তর সীমান্তের প্রতিবেশী চীনের সাথে চুক্তি করতে বাধ্য হয়

. সীমান্ত
নেপাল-ভারতের প্রায় ,৮০০ কিলোমিটার সীমান্ত উন্মুক্ত কিন্তু সীমান্ত উত্তেজনামুক্ত নয় দুই দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অনেকগুলো অঞ্চল রয়েছে, সম্প্রতি নেপাল ভারত সরকার কর্তৃক নয়া মানচিত্র প্রকাশ সে বিরোধের আগুনে আরো ঘি ঢেলেছে
বিবাদের আরেক কারণ হলো- নেপালের বেশির ভাগ সীমান্তেই কোন প্রহরী নেই, কিন্তু অপর দিকে ভারতের পুরো সীমান্ত জুড়ে রয়েছে শক্তিশালী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় বাহিনী নেপালের ভূমিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে, এমনকি মাঝেমধ্যে নেপালি নাগরিকদের হত্যা পর্যন্ত করে বসে যে সকল নেপালি ভারতে কাজ করে, তারা প্রায়ই সীমান্তে বিএসএফের হাতে নির্যাতনের স্বীকার হয় এসব ঘটনার ফলেও নেপালিদের মধ্যে ভারত বিদ্বেষী মনোভাব আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে

. বুদ্ধের জন্মস্থান
বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান নেপালের লিম্বিনিতে, বিষয়ে কোন দ্বিমত নেই নেপালি জনগোষ্ঠীর দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশ হলো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী, ফলে সেখানে স্বাভাবিকভাবেই গৌতম বুদ্ধের ঐতিহ্য তাদের আবেগ-অনুভূতির সাথে জড়িত কিন্তু কিছু কিছু ভারতীয় ফিল্ম, বইপত্র এমনকি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব দাবি করেন যে গৌতম বুদ্ধ ভারতে জন্মগ্রহণ করেছেন ভারতীয়দের এমন দাবির বিরুদ্ধে নেপালিরা প্রতিবাদ করে এমনকি খোদ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ সভায় তাঁর বক্তব্যে দাবি করেন যে, ভারতপৃথিবীকে দিয়েছে ... ... গৌতম বুদ্ধের শান্তির বার্তামোদীর বক্তব্য তখন নেপালের সামাজিক মাধ্যমে প্রচণ্ড সমালোচিত হয়, স্বাভাবিকভাবে বিষয়টিও নেপালিদের মধ্যে ভারতবিরোধিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে

. “বিগ ব্রাদারসুলভ আচরণ
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ নেপাল যখন নেপালের আঞ্চলিক প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান বাংলাদেশ ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ, নেপালের তখন স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ব্রিটিশদের সাথে ছিল শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্ক ২০১৬ সালের শেষের দিকে নেপাল ব্রিটেন তাদের কূটনৈতিক বন্ধুত্বের ২০০ বছর উদযাপন করে, যেখানে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছে কেবল ১৯৪৭ সালে
নেপালিরা তাদের সার্বভৌমত্বের সম্মানজনক ইতিহাস নিয়ে গর্ব বোধ করেন এতদসত্ত্বেও ভারতের অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গণমাধ্যম নেপালকেছোট ভাইসম্বোধন করতে অভ্যস্থ ভারতকে নেপালেরবিগ ব্রাদারবা বড় ভাই দাবি করার যে প্রবণতা ভারতীয় রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে লক্ষণীয়, নেপালিদের নিকট তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় তদুপরি বিষয়ে নেপালের বিরাটদার্শনিকঅভিযোগ আছে নেপাল মনে করে, ভারত শুধুমাত্র আকার বা বড় হওয়ার কারণে নেপালেরবিগ ব্রাদারহতে পারে না নেপালি প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির বিষয়ে বেশ বিখ্যাত একটি বক্তব্য রয়েছেযে কোন দেশ আকার কিংবা জনসংখ্যায় বড় কিংবা ছোট হতে পারে... কিন্তু জাতিগতভাবে কোন দেশই ছোট বা বড় হতে পারে না প্রতিটি দেশই সার্বভৌমত্বের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পাওয়া উচিত

. অসম কূটনৈতিক চুক্তিসমূহ
ভারত-নেপালের মধ্যে অনেকগুলো কূটনৈতিক চুক্তি রয়েছে, নেপালের জনগণের ধারণা, বেশির ভাগ চুক্তিতেই ভারতের স্বার্থের প্রতি বেশি নজর দেওয়া হয়েছে উদাহরণস্বরূপ, গান্দাকি, কোশি মহাকালি পানি চুক্তিসমূহ বেশির ভাগ নেপালিই একেবারে পছন্দ করে না তাদের ভাষ্যমতে এসব চুক্তির মাধ্যমে নেপালের মহামূল্যবান পানিসম্পদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহারে ভারতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে
এই তিন বিতর্কিত পানি চুক্তি ছাড়াও 1950 Peace and Friendship Treaty (১৯৫০ সালের শান্তি বন্ধুত্ব চুক্তি) নেপালে চরম অজনপ্রিয় চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের নিরাপত্তা ছাতার অধীনে নেপালের অবস্থানের কূটনৈতিক দলিল হিসেবে বিবেচনা করা হয় নেপালের নাগরিকসমাজ বুদ্ধিজীবীগণ বেশ কঠোরভাবে চুক্তি পরিমার্জন করার দাবি তুলছেন
অনেক নেপালি রাজনীতিক তিন নদীর পানি চুক্তি তথাকথিত বন্ধুত্ব চুক্তির পুনর্বিবেবচনার কথা বলেছেন, যাতে চুক্তিগুলোতে উভয় পক্ষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয় ২০০৮ সালে তৎকালীন নেপালি প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল তাঁর ভারত সফরে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সাথে আলোচনাকালে প্রসঙ্গ তুলেছিলেন এক দশকেরও বেশি দিন পার হয়ে গেছে, কিন্তু এগুলোর মধ্যে কোন চুক্তি সংশোধনেরই অগ্রগতি হয়নি 
______________________________
বিরাট অনুপম নেপালের সরকারি সংবাদ সংস্থান্যাশনাল নিউজ অ্যাজেন্সিরইংরেজি সংস্করণের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কূটনীতি, ভ্রমণ পরিবেশ সম্পর্কে তিনি লিখে থাকেন তাঁর লেখা নিবন্ধটি দি ডিপ্লমেটে 5 Factors Driving Anti-India Sentiment in Nepal শিরোনামে প্রকাশিত হয় ভাষান্তর কর্তৃক বাংলায় রূপান্তরিত

Author Name

ভাষান্তর

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.